BeMetro.net
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৭ | ৬ মাঘ, ১৪২৩ | ১৯ রবিউস-সানি, ১৪৩৮

ওয়েলিংটনের অটোগ্রাফ শিকারী ডেভিড!


প্রকাশঃ ১০-০১-২০১৭, ৯:১৩ অপরাহ্ণ | সম্পাদনাঃ ১০-০১-২০১৭, ৯:১৩ অপরাহ্ণ

ডেভিড, তুমি অটোগ্রাফ শিকারি না ভিখারি? জিজ্ঞেস করলে হেসে ফেলেন তিনি। হাসতে হাসতে বললেন, ‘শেষেরটাও বলতে পার। আমার ছেলেমেয়েরাও তাই বলে। এই যে দেখ না আমার ছেলের বয়সীদের একটি অটোগ্রাফের জন্যে সেই সকাল থেকে কীভাবে ভিখারির মতো দাঁড়িয়ে আছি।’ পঞ্চাশোর্ধ্ব এই ডেভিডের সঙ্গে মঙ্গলবার দেখা ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভ ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়-কোচদের অটোগ্রাফ সংগ্রহের জন্যে সকাল থেকে তিনি ঘুরঘুর করছিলেন মাঠ আর নেটের পাশে।

ছেলেবেলা থেকে ক্রিকেট ভালোবাসেন ডেভিড, খেলতেনও। এরসঙ্গে যা করতেন সেটা হলো নামী ক্রিকেটারদের অটোগ্রাফ সংগ্রহ। বড় হয়ে তিন ছেলেমেয়ের পিতা ডেভিড আর ক্রিকেট খেলেন না। এখন একাউন্টিং পেশার সঙ্গে জড়িত। ক্রিকেটারদের অটোগ্রাফ সংগ্রহের মতো ছেলেবেলার শখ ধরে রেখেছেন এই বুড়ো বেলাতেও। এবং এখন সেটা করেন অনেক গোছানো ও পরিকল্পিতভাবে। যেমন মঙ্গলবার বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের অটোগ্রাফ সংগ্রহের জন্যে একটি বাঁধাই করা খাতা নিয়ে এসেছিলেন ডেভিড। খাতাটি দেখে মনে হবে এ যেন ছাপাখানায় ছাপা-বাঁধাই করা একটি বই! যেটির পাতায় পাতায় বাংলাদেশের টেস্ট দলের খেলোয়াড়দের ছবিসহ নানা তথ্য। অনলাইন থেকে অনেক খেলোয়াড়দের ছবি নিয়ে সেগুলোর হার্ডকপিও সঙ্গে এনেছিলেন ডেভিড। আজকাল কম্পিউটারের যুগে কিনা করা সম্ভব।

নিজের অটোগ্রাফের সংগ্রহ দেখাচ্ছেন ডেভিডএভাবে ডেভিড যখন যে ক্রিকেট দল ওয়েলিংটনে খেলতে আসে সে দলের খেলোয়াড়, দলের সঙ্গে থাকা সাবেক ক্রিকেটারদের অটোগ্রাফ সংগ্রহ করেন। যেমন মঙ্গলবার তিনি সাবেক ক্যারিবীয় ক্রিকেট তারকা ও বাংলাদেশ দলের বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশের ছবিতেও তার অটোগ্রাফ নিয়েছেন। কখন কোন দল ওয়েলিংটন এসে পৌঁছে সে খবর তিনি আগেভাগে রাখেন এবং দলগুলো নিয়ে অনলাইনে পড়াশোনা, গবেষণাও করেন। অটোগ্রাফ সংগ্রহের জন্যে তিনি দলগুলোর হোটেলে যান অথবা অনুশীলনের সকালে মাঠে চলে আসেন। তার বক্তব্য অনুশীলনের দিন মাঠে চলে এলে এ কাজে বেশ সুবিধা হয়। এদিন মাঠে প্রবেশের কড়াকড়ি তুলনামূলক কম থাকে। খেলোয়াড়দেরও বেশ আয়েশি মনে পাওয়া যায়।



পাঠকের মতামত...

Top